বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৭ সেপ্টেম্বর সকালে দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব ফতেহাবাদ গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে পা বাঁধা অবস্থায় মাজেদা বেগমের (৬০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই দেবীদ্বার থানায় হত্যা মামলা হয়। ২১ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

পিবিআই পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, এই মামলা ছিল একেবারেই সূত্রহীন। মামলার তদন্ত শুরুর সাত দিনের মধ্যে গতকাল সোমবার বিকেলে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যায় জড়িত জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ছাতিয়ানি গ্রামের মিজানের ছেলে মো. রনিকে গ্রেপ্তার করেন। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি পুরো হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া স্বর্ণের কানের দুল উদ্ধার করা হয়।

রনির বরাত দিয়ে পিবিআই জানায়, ফতেহাবাদ ও ছাতিয়ানি গ্রাম দুই উপজেলায় হলেও পাশাপাশি অবস্থিত। পরিচিত হওয়ায় বৃদ্ধা মাজেদা বেগমের জমি বিক্রির বিষয়টি তাঁরা জানতে পারে। এরপর তিনজন মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। হত্যার সময় মাজেদা নিজেকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। তিনি রনির আঙুলে কামড় দিয়েছেন। রনির আঙুলে সেই দাগও পাওয়া গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে রনি জানিয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল ওই নারীর জমি বিক্রির টাকা লুট করা। কিন্তু ঘরে কোনো টাকা ছিল না। তাঁরা অনেকগুলো গয়না লুট করলেও কানের দুল ছাড়া সব ছিল ইমিটেশন। কানের দুল সাড়ে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেন তাঁরা। এর মধ্যে রনি ভাগ পান ২ হাজার ৬০০ টাকা। বাকি টাকা অপর দুইজনে ভাগ করে নেন।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান আরও বলেন, মামলার অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই নাম বলতে চান না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন