বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে। দেশে ৫৪ হাজার বর্গমাইলের ভেতর এখন ১৮ কোটি মানুষ বাস করে। অনাহারে মারা যাওয়ার ঘটনা খুব কম, এটা একেবারেই হচ্ছে না।’ তিনি বলেন, দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই, অথচ স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরুই হয়েছিল গণতন্ত্রের জন্য। সেই গণতন্ত্র আস্তাকুঁড়ে চলে গেছে। দেশ এখন জাতীয়ভাবে, আন্তর্জাতিকভাবে, সবভাবেই নিন্দিত।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, দ্রব্যমূল্য যে হারে বাড়ছে, এটাকে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে আকাশে গিয়ে ঠেকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের অনেকগুলো ইতিবাচক পথ আছে। সরকার সেগুলোর কোনোটিতেই হাঁটছে না। পত্রপত্রিকায়ই দেখা যায়, টিসিবিতে যেসব পণ্য দেওয়া হচ্ছে, সেগুলো প্যাকেজ আকারে দেওয়া হচ্ছে। টিসিবির পণ্য দিতে সরকার যে ভর্তুকি দিচ্ছে, সেটি যদি নগদ টাকা দিয়ে দিত, তাহলে ভোক্তারা তাঁদের প্রয়োজনমাফিক পণ্য নিজেরা কিনতে পারতেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ ‘সিন্ডিকেট’ মন্তব্য করে মাহমুদুর রহমান বলেন, পণ্যসামগ্রীর মূল্য ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট আওয়ামী লীগ নেতারা নিয়ন্ত্রণ করেন। এই সিন্ডিকেট এখনই ভেঙে দিতে হবে। তা না হলে দেশে দুর্ভিক্ষ, গণবিক্ষোভ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন