আখাউড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আক্তার প্রথম আলোকে জানান, দেশে ফেরা ওই পাঁচজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওই পাঁচ বাংলাদেশি খাগড়াছড়ির রামগড় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের আটক করেন। পরে দেশটির আদালত অনুপ্রবেশের অপরাধে তাঁদের পাঁচ দিনের কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। নিজেদের বাংলাদেশি বলে দাবি করলে সাজা শেষে তাঁদের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার নরসিংগড়স্থ ‘স্টেট ওল্ড এজ হোমে’ পাঠানো হয়। পরে আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনের সহায়তায় তাঁদের জাতীয়তা নিশ্চিত করা হয়। পরে তাঁদের প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

default-image

আখাউড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় তাঁদের গ্রহণ করার সময় ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ, আখাউড়ার ইউএনও রোমানা আক্তার, প্রথম সচিব মো. রেজাউল হক চৌধুরী ও এস এম আসাদুজ্জামান, ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার তৌসিফ আহমদ কোরেশী, আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইনচার্জ এসআই আবু বক্কর, বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রতিনিধিদল এবং ভারত থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের সময় ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির পক্ষ থেকে ফেরত আসা সবাইকে জরুরি সহায়তা হিসেবে খাবার, কাউন্সেলিং সেবা ও যাতায়াত ভাতা বাবদ নগদ অর্থসহায়তা দেওয়া হয়।

ত্রিপুরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘জেল থেকে বের হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে ওই পাঁচ বাংলাদেশি ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিজেদের বাংলাদেশি বলে দাবি করেন। কিন্তু তাঁদের কাছে যথার্থ কোনো প্রমাণ ছিল না। পরে রাজ্য সরকার থেকে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন