বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইমিগ্রেশন পুলিশ ও একটি বেসরকারি সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় দুই দেশের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৩৭ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে বেনাপোল বন্দর থানা–পুলিশের মাধ্যমে তাঁদের তিনটি এনজিওর জিম্মায় দেওয়া হয়। এর মধ্যে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ১৯ জন, রাইটস যশোর ১৬ জন ও বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি দুজনকে জিম্মায় নেয়।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সমন্বয়কারী মুহিত হোসেন বলেন, তাঁদের জিম্মায় থাকা ১৭ জনকে গতকাল রাতেই পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর ২০ জনের মধ্যে দুই কিশোরীকে পাচারের মামলা তদন্তের জন্য ঢাকায় সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয়কৃষ্ণ মল্লিক বলেন, সংসারে অভাব-অনটনের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় ভালো কাজের কথা বলে এসব কিশোর-কিশোরী ও নারীদের ভারতে পাচার করে দালালেরা। পরে তাঁদের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হয়। ভারতীয় পুলিশ পাচারকারীদের কাছ থেকে তাঁদের উদ্ধার করে আদালতে পাঠায়। সেখান থেকে তাঁদের আশ্রয় হয় ভারতীয় এনজিওর শেল্টার হোমে।

পরে উদ্ধার করা ব্যক্তিরা বাংলাদেশি কি না, তা যাচাই করা হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফেরত আসা কিশোর-কিশোরী ও নারীদের বাড়ি কুমিল্লা, খুলনা, যশোর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, মুন্সিগঞ্জ, সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও, রাজবাড়ী, সুনামগঞ্জ, পিরোজপুর, নড়াইল, রাজশাহী, ফরিদপুর, বরিশাল ও কুড়িগ্রামে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন