বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের উচিত, দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। দেরি করলে সরকারের জন্য শ্রীলঙ্কার মতো দুঃখজনক পরিস্থিতি হবে।

বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করছে। উন্নয়নের মিথ্যা গালগল্প প্রচার করে অর্থনীতি লুটপাট করছে। দেশের অর্থনীতিতে এই লুটপাটের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর ৩৩ ভাগ প্রবাসী আয় কমেছে। ভারতে পদ্মা সেতুর চেয়ে বড় সেতুর নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। আর আমাদের দেশে তার চেয়ে ছোট সেতু নির্মাণে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা কোথায় গেছে?

নগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলটির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক, সদস্য আবু নাসের মো. রহমতউল্লাহ, দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক মজিবুর রহমান ওরফে নান্টু, উত্তর জেলার আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহীদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম–আহ্বায়ক আবদুস সাত্তার প্রমুখ। মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির সমাবেশ সঞ্চালনা করেন।

এদিকে সমাবেশে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নেতা জি এম ফারুককে মঞ্চ থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া নিয়ে সামান্য হট্টগোলও হয়। জি এম ফারুক বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর কমিটির সাবেক সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

জি এম ফারুকের অভিযোগ, তিনি একটি বড় মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁকে মঞ্চে তুলে দিলে মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা তাঁকে ধাক্কা দিয়ে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন। এ সময় মহানগর শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলামকেও লাঞ্ছিত করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন