বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইন্দোনেশিয়ার নতুন রেল কোচটি আবার এই রেলপথে চালু করার জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে নাগরিক অধিকার আন্দোলন যশোর।

গত ২৮ নভেম্বর আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক নূর জালাল স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে সারা দেশের মতো যশোর-ঢাকা রেললাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অন্য সব রুটে ট্রেন চলাচল করলেও অজ্ঞাত কারণে এই রুটে দেরিতে ট্রেন চলাচল শুরু করা হয়। এরপরও বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি চিঠির মাধ্যমে জানা গেছে, ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা আধুনিক সুবিধা–সংবলিত রেল কোচটির বদলে ভারত থেকে আমদানি করা বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস দিয়ে যশোর-বেনাপোল রেলপথে ট্রেন চলাচল শুরু করবে; যা দেখে তাঁরা বিস্মিত হয়েছেন। এই পথে ভারত থেকে আগত পর্যটকেরা যাতায়াত করেন। দেশের অন্যতম লাভজনক রুট এটি। ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা ট্রেনটি আবার চালুর দাবি করা হয় স্মারকলিপিতে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা ট্রেনের কোচগুলো ছিল সম্পূর্ণ নতুন। ট্রেনটিতে ২টি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কামরা এবং ১টি কেবিন ছাড়া ৬টি শোভন চেয়ারের বগি ছিল। এই ট্রেনে ৮৮৬টি আসন ছিল। ট্রেনটি এই রেলপথ থেকে সরিয়ে উত্তরবঙ্গে চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে এই রেলপথে ভারতের তৈরি পুরোনো ও জীর্ণ একটি ট্রেন চালানো হচ্ছে। এতে একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কেবিন রয়েছে। আসনসংখ্যাও কম।

ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা রেল কোচটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সরদার সাহজাত আলী বলেন, ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা ট্রেনটির চাকাতে ত্রুটি রয়েছে। যে কারণে বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলে ঝুঁকি রয়েছে। রেলওয়ের কাছে এই মুহূতে ওই ট্রেনের চাকা নেই। আমদানি করে চাকা সংযোজন করতে হবে; যা সময়সাপেক্ষ বিষয়। যে কারণে এই ট্রেন সরিয়ে উত্তরবঙ্গে যেখানে সেতু নেই, সেখানে চালানো হচ্ছে। চাকা সংযোজনের পরে চাইলে আবার এই ট্রেনটি যশোর-ঢাকা রেলপথে চালানো যাবে।

বেনাপোল রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার সাইদুজ্জামান বলেন, বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি উদ্বোধনের পর থেকে ৮৮৬ জন যাত্রী নিয়ে চলাচল করছিল। বর্তমান চলাচল করা ট্রেনে ৭৯৩টি আসন রয়েছে। বেনাপোল-ঢাকা রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী ট্রেনটি লাভজনক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন