বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৯ সালে প্রায় ১০ কোটি টাকা খরচ করে গ্রোয়েনটি নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পদ্মা থেকে পাওয়া মাটি দিয়ে গ্রোয়েনটি নির্মাণ করা হয়। এর স্থায়ী নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। এ জন্য পাউবো এর নাম দিয়েছে ‘টেম্পোরারি প্রোটেকশন অব ডিপোজিটেড ড্রেজড ম্যাটেরিয়াল’। স্থায়ী নির্মাণকাজ শেষ হলে এর নাম হবে ৪ নম্বর গ্রোয়েন। এর উজানে পদ্মার ৫ নম্বর গ্রোয়েন।

হড়গ্রামের পাশে নবগঙ্গা এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দা ও নবগঙ্গা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হক বলেন, নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধ না থাকায় এই গ্রোয়েনের পশ্চিমে নবগঙ্গা এলাকাটি দেড় মাস ধরে ভাঙছে। দেড় মাসে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ ফুট জায়গা ভেঙে গেছে। পদ্মার পানি প্রথমে নবগঙ্গার তীরে ধাক্কা খাচ্ছে। এরপর গ্রোয়েনে আঘাত করে। এ কারণে গ্রোয়েনও ভাঙছে।

পাউবোর রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, ভাঙা অংশ সংস্কার করা হবে। এ জন্য ইতিমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। ৫ নম্বর গ্রোয়েনটি হাইটেক পার্কের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন