বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল মৌডুবি। সর্বশেষ ২০০২ সালে বড়বাইশদিয়ায় নির্বাচন হয়েছিল। তবে ওই নির্বাচনের আগেই বড়বাইশদিয়া থেকে বিভক্ত হয়ে মৌডুবি নামে নতুন আরেকটি ইউনিয়ন ঘোষণার দাবি তোলেন মৌডুবির মানুষ। বড়বাইশদিয়া ইউপি নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সরকারি গেজেট প্রকাশ করে মৌডুবিকে পৃথক ইউনিয়ন করা হয়। এরপর সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা দেখিয়ে একের পর এক মামলা হওয়ায় ওই দুই ইউপিতেই নির্বাচন বন্ধ থাকে।

এদিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে দুই ইউপিতেই নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেতে স্থানীয় নেতারা উপজেলা ও জেলা কমিটিতে যোগাযোগ শুরু করেছেন। প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই।

মৌডুবি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ ইউপিতে নির্বাচন না হওয়ায় সাধারণ মানুষ তাঁদের যোগ্য প্রতিনিধি পাচ্ছিল না। এখন এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থী খুঁজছে। অনেকেই দলীয় মনোনয়ন চাইছেন। মনোনয়নের বিষয়টি দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মৌডুবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন খান বলেন, প্রথমবারের মতো মৌডুবি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নের বাসিন্দাদের এখন আলোচনার প্রধান বিষয় হলো নির্বাচন। সবাই অপেক্ষায় আছেন, কে হবেন এ ইউপির প্রথম চেয়ারম্যান।

বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক হাওলাদার বলেন, দীর্ঘ দেড় যুগ পর ইউপি নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ গোছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি নিজেও আবার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ হাওলাদার বলেন, সপ্তম ধাপের ইউপি নির্বাচনে এ দুই ইউপির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা, ১৫ জানুয়ারি মনোনয়ন বাছাই, ২২ জানুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ৭ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন