ভাঙাচোরা হওয়ায় মৃধা বটতলা-নীলকুঠি সড়কের ওই ১৫০ মিটার অংশ দিয়ে যাতায়াত করা যায় না। সড়কের মৃধার বটতলা অংশে বহরপুর কলেজ ও একটি মাদ্রাসা আছে। এখানে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। এ ছাড়া কিছুটা দূরেই একটি বড় বাজার আছে। বাজারটি পাট, পেঁয়াজ-রসুনের জন্য বিখ্যাত। সারা দেশের বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করা হয় এই বাজার থেকে। কিন্তু বাহিরচর এলাকায় রাস্তা ভাঙা থাকায় শুধু শুষ্ক মৌসুমে বাইসাইকেল চালিয়ে কোনোমতে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু অন্য কোনো যানবাহনে ওই অংশ দিয়ে চলাচল করা যায় না।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, এই রাস্তা দিয়ে আগে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করত। বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দেখা যেত। কিন্তু পাশে একটি পুকুর থাকায় রাস্তার কিছু অংশ ভেঙে যায়। বর্ষার সময় আরও ভেঙে যায়। এরপর বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সড়কের ভাঙা অংশ অনেক বড় হয়ে গেছে। এখন আর এই রাস্তা দিয়ে বর্ষার সময় যাতায়াত করা যায় না। এমনকি বৃষ্টি হলেও চলাচলে খুব সমস্যা হয়।

স্থানীয় আবদুল গণি বলেন, এই এলাকা কৃষিপ্রধান এলাকা। প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে পাট, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদিত হয়। এসব ফসল বহরপুর হাটে বিক্রি করা হয়। কিন্তু রাস্তাটি ভাঙা হওয়ায় কৃষিপণ্য বাজারে নিতে কৃষকের খুব কষ্ট হয়।

সড়কের ওই অংশ সংস্কারের জন্য ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহমদ আলী বলেন, ‘ওই রাস্তার সমস্যার কথা আমি জানি। কয়েক বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। কিন্তু এটি মেরামত করার জন্য কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে রাস্তাটি মেরামত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করব।’

এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী আলমগীর বাদশা বলেন, রাস্তাটি মেরামত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বরাদ্দ পেলে রাস্তা মেরামত করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন