বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে দোহার উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, ১৮ এপ্রিল দোহারের ত্যাগী নেতা–কর্মীদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করে একটি কুচক্রী মহল নবাবগঞ্জে খন্দকার আবু আশফাকের (জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক) বাড়িতে ঘরোয়া সমাবেশ করে উপজেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণা করে। দোহার উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির বৃহৎ একটি অংশকে বাদ রেখে এ অবৈধ পকেট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিতে দলের ত্যাগী নেতাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনবিরোধী এ কার্যক্রমকে সাংগঠনিকভাবে প্রতিহত করা হবে। তাঁরা এ কমিটি বাতিল চান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিন আহমেদ খন্দকার, বিএনপি নেতা রেজাউল করিম হালিম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার শেখ, যুবনেতা সোহাগ হোসেন, ছাত্রনেতা মনির হোসেন, কবির শেখ, জ্যাকি মাহমুদ প্রমুখ।

তবে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক বলেন, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে। কারও ব্যক্তিগত মতামত ও ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষায় এ কমিটি হয়নি। যাঁরা কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, তাঁরা বিএনপির কেউ না। সেখানে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের (বিএনএফ) গুটি কয়েক নেতা বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আবু আশফাক আরও বলেন, ১৮ এপ্রিল নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১০ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন সম্মেলন উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতাদের সর্বসম্মতি ও কাউন্সিলদের মতামতের ভিত্তিতে এস এম মেছের আলী খানকে সভাপতি ও মাসুদ পারভেজকে সাধারণ সম্পাদক করে দোহার উপজেলার কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন