বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে ফেরিডুবির ঘটনায় ঘাটটি বন্ধ রয়েছে। এ ঘাট চালু হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। চালু আছে চারটি ঘাট। অপর দিকে দৌলতদিয়া প্রান্তে পাঁচটি ঘাট চালু রয়েছে। এর মধ্যে দৌলতদিয়ার ৪ নম্বর ঘাটের কাছে সাময়িক সময়ের জন্য সংস্কারকাজ চলছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে দেখা যায়, দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ঘাট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাংলাদেশ হ্যাচারিজ ছাড়িয়ে বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এর মধ্যে ফেরিঘাট সড়কের এক কিলোমিটারজুড়ে পণ্যবাহী গাড়ির সঙ্গে যাত্রীবাহী বাস ও কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে এ সমস্যা বেশি প্রকট হচ্ছে।

আটকে থাকা চালকদের ভাষ্য, প্রতিদিন রাতে দূরপাল্লার পরিবহন, কাঁচা পণ্যসহ জরুরি গাড়ি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নদী পাড়ি দেয়। এসব জরুরি গাড়ির চাপ ভোরে কমে আসায় সাধারণ পণ্যবাহী গাড়ি পারাপারে সুযোগ দেওয়া হয়। আবার দুপুরের দিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে দূরপাল্লার পরিবহন আসতে থাকলে সাধারণ পণ্যবাহী যান পারাপারের গুরুত্ব কমে যায়। এ কারণে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির সারি আরও দীর্ঘ হতে থাকে।

গাড়ির সারি মাঝেমধ্যে ফেরিঘাট থেকে গোয়ালন্দ বাজার বাসস্ট্যান্ড ছাড়িয়ে সাত কিলোমিটার পর্যন্ত হয়। তখন দূরপাল্লার পরিবহন ফেরি পেতে তিন থেকে চার ঘণ্টা, জরুরি পচনশীল পণ্যবাহী গাড়িকে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। আর সাধারণ পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের কখনো কখনো অপেক্ষায় থাকতে হয় ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত।

দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাট সড়কে যশোর থেকে আসা কাঠবোঝাই একটি ট্রাকের চালক বিপুল শেখ বলেন, তিনি সোমবার সকালে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি ফরিদপুর হয়ে গোয়ালন্দ বেড়িবাঁধ দিয়ে ঢুকে বেলা ১১টার দিকে সরাসরি ফেরিঘাটের লাইনের পেছনে এসে দাঁড়ান। এরপর সারা দিন ও সারা রাত সড়কের ওপর গাড়িতেই সময় কাটান। অথচ নদী পাড়ি দিতে ৭০০ টাকার টিকিট দালালের মাধ্যমে ১ হাজার ১০০ টাকা দিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান এই চালক।

কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মিজানুর রহমান দুপুরে বলেন, নদী পাড়ি দিতে আসা গাড়ির সারি দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কাছাকাছি পর্যন্ত আছে। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান জানান, ফেরিস্বল্পতা দূর করতে আরিচা-কাজির হাট রুট থেকে কে-টাইপ ফেরি কুমিল্লা এবং রো রো ফেরি ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা এসেছে। বর্তমানে ফেরির সংখ্যা বেড়ে ১৮ হয়েছে। এতে যানবাহন পারাপার আগের থেকে বেড়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন