বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুষ্টিয়া থেকে আসা দূরপাল্লার একটি পরিবহনের ঘাট প্রতিনিধি মোরশেদ আলম বলেন, আজ দুপুরের আগপর্যন্ত ঘাট এলাকায় যাত্রী বা যানবাহনের তেমন চাপ ছিল না। বেলা দুইটার পর থেকে যানবাহনের সঙ্গে মানুষও আসতে শুরু করেছে। তবে আগামীকাল শুক্রবার থেকে ঈদফেরত মানুষের চাপ হবে সবচেয়ে বেশি।

মাগুরা থেকে আসা ঢাকাগামী যাত্রী বিল্লাল খন্দকার বলেন, ‘আমি একটি সফটওয়্যার ফার্মে চাকরি করি। ছুটি এবার অনেক কম পেয়েছি, শনিবার থেকেই অফিস খোলা, তাই আজই চলে যাচ্ছি। কাল আবার সড়কে অনেক চাপ হতে পারে। এ জন্য আগেই ভোগান্তি ছাড়া চলে যাচ্ছি।’

আরিচা লঞ্চমালিক সমিতির দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট প্রতিনিধি নুরুল আলম মিলন জানান, যাত্রী পারাপার নির্বিঘ্ন করতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ২২টি লঞ্চ চলাচল করছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শিহাব উদ্দিন বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে যানবাহন পারাপারে ২১টি ফেরির মধ্যে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৯টি ফেরি চলাচল করছে। যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাকি ২টি ফেরি বহরে যুক্ত হবে। এবার ঈদের আগে অধিকাংশ যাত্রীই ভোগান্তি ছাড়া নদী পার হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ঈদের পরেও ঘাটে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়া মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন