বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুষ্টিয়া থেকে মোটরসাইকেলে সাভার যাচ্ছিলেন তরুণ আকবর হোসেন। তিনি বলেন, ‘লকডাউনে পরিবহন না চলায় জরুরি প্রয়োজনে বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়েছি। কাজ শেষ করে পারলে আজই কুষ্টিয়ায় ফিরতে হবে। ঘাটে এসে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বসে আছি। উপায় না পেয়ে ট্রলারেই রওনা করছি। এতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হলেও কিছু করার নেই।’

গাদাগাদি করে যাত্রী তোলার বিষয়ে ট্রলারচালক মো. ইদ্রিস বলেন, ‘ঘাটের কাছেই আমাদের বাড়ি। লকডাউনে সবকিছু বন্ধ। লোকজন পার হতে পারছে না। কয়েকজন মিলে একটি ট্রলার নিয়ে নেমে পড়েছি।’ তাঁর নৌকায় শতাধিক যাত্রী তোলার কারণ সর্ম্পকে বলেন, ‘এত যাত্রী নেই। যতটুকু সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে পারাপার করছি। আমরা তাদের বরং উপকার করছি। তা না হলে এ সময়ে কীভাবে নদী পাড়ি দিত?’

যাত্রী ও মোটরসাইকেল পারাপারের সত্যতা স্বীকার করে দৌলতদিয়া নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোন্নাফ মোল্লা বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে এ অবস্থা চলছে। শনিবার যাত্রী ও যান পারাপারের খবর পেয়ে ঘাটে গেলে আমাদের দেখে তাঁরা পালিয়ে যান। এখন প্রয়োজনে তাঁদের ধাওয়া করতে স্পিডবোট নিতে হবে। নৌপুলিশের কেউ জড়িত থাকলে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ফেরিঘাট থেকে ট্রলারে যাত্রী ও মোটরসাইকেল পারাপার করা হচ্ছে বলে জানতে পারি। খবর পেয়ে গত শুক্রবারও ঘাটে গেলে ট্রলারচালকেরা যাত্রী পরিবহন বন্ধ করে দেয়। লোকজন যদি করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন না হয়, তাহলে কী করার আছে? এরপরও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন