বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সাংসদ সরওয়ার জাহানের ফুফাতো ভাই হাসিনুর রহমান প্রতিদিনের মতো প্রাতর্ভ্রমণে বের হন। গ্রামের পাশ দিয়ে পদ্মা নদীর বাঁধের ওপর দিয়ে তিনি হাঁটছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে পেছন থেকে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এক ব্যক্তি কোপাতে থাকেন। স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে নেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি মারা যান। নিহত ব্যক্তির পরিবার সূত্র জানায়, হাসিনুর রহমান এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন। তিনি অবিবাহিত ছিলেন।

কয়েক মাস আগে এলাকায় এক স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হয়। মামলার বাদী ও বিবাদীকে নিয়ে হাসিনুর রহমান সমঝোতা করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। হাসিনুর রহমানকে হত্যার অভিযোগে আটক মজিবর রহমান ছুরিকাঘাতে নিহত স্কুলছাত্রের বাবা।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বেশ কয়েক মাস আগে এলাকায় এক স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হয়। মামলার বাদী ও বিবাদীকে নিয়ে হাসিনুর রহমান সমঝোতা করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। হাসিনুর রহমানকে হত্যার অভিযোগে আটক মজিবর রহমান ছুরিকাঘাতে নিহত স্কুলছাত্রের বাবা।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় সাংসদ সরওয়ার জাহান প্রথম আলোকে বলেন, তিনি বর্তমানে ঢাকায় আছেন। ঘটনা শোনার পরপরই তিনি গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর ভাই আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এলাকায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করতেন। একজন সমাজসেবককে কেন নির্মমভাবে হত্যা করা হলো, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত প্রথম আলোকে বলেন, হাসিনুর রহমানকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় একটু উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন