বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, শুভা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। আজ দুপুর ১২টার দিকে তিনি বসতঘরসংলগ্ন রান্নাঘরে লাকড়ির আগুনে দুপুরের খাবার রান্না করছিলেন। এ সময় মৃগী রোগ উঠে গেলে তিনি চুলার আগুনে পড়ে গিয়ে দগ্ধ হন। তাঁর আট বছর বয়সী ছেলে আলী আহম্মেদ তার মাকে এ অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার দেয়। পরে আশপাশের লোকজন সেখান থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখান থেকে ওই গৃহবধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বলা হয়। তবে ময়মনসিংহ আসার পথে ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আট বছর বয়সী ছেলে আলী আহম্মেদ তার মাকে এ অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার দেয়। পরে আশপাশের লোকজন সেখান থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।

গৃহবধূর স্বামী আলী ইউনুস বলেন, ‘আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিল। এর চেয়ে বেশি কিছু বলার পরিস্থিতিতে এখন আমি নেই।’

ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা মোক্তাদির হোসেন বলেন, ‘ওই নারীর শরীরের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ অগ্নিদগ্ধ ছিল। আমরা সাময়িক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন