বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একই গ্রামের আরেক বাসিন্দা ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাবুল দাস (৪০) বলেন, তাঁর পরিবারের সদস্যসংখ্যা ৬। স্থানীয় বাজারে একটি ছোট্ট দোকানে চা, পান ও বিস্কুট বেচে কোনোরকমে সংসার চলে। ঘর ভেঙে যাওয়ায় ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকার সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ভাটি তাহিরপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত মন বাহার (৪৫) বলেন, ‘ছেলেমেয়ে লইয়া এমনিতেই খুব কষ্ট কইরা দিন যাইতাছে। গত রাইতের তোফানে (তুফান) ঘরডার টিনের ছাল উড়াইয়া নিয়া গেছে। অহন কীবায় যে কিতা অইব, ওফুর ওয়ালাই জানে।’

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত দুটি গ্রাম পরিদর্শন করেন সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাদেকুর রহমান। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির হাসানকে (ইউএনও) লিখিতভাবে জানানো হবে।

ইউএনও মুনতাসির হাসান বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় সহায়তা চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন