বিজ্ঞাপন

তিনি রোববার সকাল ১০টার দিকে মুঠোফোনে মো. মবিন উদ্দিন (৩৫) নামের এক শিক্ষককে বাল্যবিবাহটি বন্ধ করতে মুঠোফোনে কথা বলেন। ওই শিক্ষক সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বর ও কনের বাড়িতে যান। এ সময় তিনি অভিভাবকদের ১৮ বছরের আগে কোনো মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার কুফল ও রাষ্ট্রীয় আইনে এ ধরনের বিয়ের স্বীকৃতি নেই, এমনটি বুঝিয়ে বলেন। ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়েটিকে কোথাও বিয়ে দেওয়া হবে না বলে দুই পক্ষের লোকজন এ বিষয়ে মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেন।

অন্যদিকে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের একটি গ্রামে এক কিশোরীর (১৩) সঙ্গে পাশে মোহনগঞ্জ উপজেলার এক তরুণের (২৫) আজ রোববার বেলা দুইটার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ধরমপাশা থানার ওসি খালেদ চৌধুরীকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন ইউএনও। ওসির নির্দেশে বেলা সোয়া একটার দিকে কনের বাড়িতে যান ধরমপাশা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস।

কনের বাড়িতে পুলিশ রয়েছে, এমন খবর পেয়ে বর ও বরযাত্রী কনের বাড়িতে যাননি। পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বাল্যবিবাহের কুফল এবং এ নিয়ে আইনে কী বলা আছে, তা মেয়েপক্ষের অভিভাবকদের বুঝিয়ে বলেন। এরপর তাঁরা এই বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে সম্মত হন।

ইউএনও মুনতাসির হাসান প্রথম আলোকে বলেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। রাষ্ট্রীয় আইনে এ ধরনের বিয়ের কোনো স্বীকৃতি নেই। স্থানীয় সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। বাল্যবিবাহ বন্ধে উপজেলা প্রশাসন সব সময় তৎপর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন