default-image

সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার পাথারিয়াকান্দা গ্রামে শ্মশানঘাট নির্মাণকে কেন্দ্র করে চারজনের ওপর হামলার ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে থানায় মামলা হয়েছে। গত রোববার রাত একটার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাথারিয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ও শ্মশানঘাট নির্মাণ কমিটির উপদেষ্টা জগদীশ বর্মণ (৭০) বাদী হয়ে ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা দু–তিনজনকে আসামি করে মামলাটি করেন।

ধরমপাশা থানা-পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহখানেক ধরে উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও নতুনপাড়া ও পাথারিয়াকান্দা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে একটি শ্মশানঘাটের নির্মাণকাজ চলে আসছে। নানা কারণ দেখিয়ে এই শ্মশানঘাটের নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে আসছিলেন একই ইউনিয়নের নোয়াগাঁও নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলাম (৪৮)। শ্মশানঘাট নির্মাণের জন্য সেখানে রাখা রড, বালু, ইট ও পাথর চুরি হতে পারে—এ আশঙ্কায় রাতের বেলায় পাহারা দেওয়া হচ্ছিল। গত রোববার রাত একটার দিকে ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলামের (৪৮) নেতৃত্বে তাঁর ছোট ভাই আসাদুল মিয়াসহ ৫ থেকে ৬ জন শ্মশানঘাটের মালামাল পাহারার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ওপর হামলা করেন। এতে চারজন আহত হন।

বিজ্ঞাপন

হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার বিকেলে পাথারিয়াকান্দা থেকে ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলামের ছোট ভাই আসাদুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। যাঁরা দোষী, তাঁরা যেন কোনো অবস্থাতেই পার না পান।

ধরমপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন আজ মঙ্গলবার প্রথম আলোকে মামলার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো আসাদুল মিয়াকে আদালতে পাঠানো হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন