বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ-তিন গুণ ভাড়া দিয়ে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় যাতায়াত করছেন।

গোদাগাড়ীর ললিতনগর থেকে ট্রেনে করে রাজশাহী শহরে এসেছেন রূপসী বর্মন (২৫)। তিনি বলেন, বাস ধর্মঘটের খবর তিনি জানতেন না। কিন্তু তাঁর ঢাকায় যাওয়া জরুরি। এখন কী করবেন, সেটির সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।

ছেলেকে নিয়ে তানোর থেকে রাজশাহীতে আসা আলতাফুন বেগম (৪০) জানান, তাঁর আরেক ছেলে ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তিনি ছেলের কাছে যাবেন। রাজশাহীতে এসে জানতে পারেন, ঢাকায় কোনো বাস যাচ্ছে না। ঢাকায় যাওয়ার ট্রেনের টিকিটের জন্য চেষ্টা করছেন। কিন্তু ৮ নভেম্বর পর্যন্ত ট্রেনের কোনো টিকিট নেই বলে তাঁকে জানানো হয়েছে।

default-image

গোদাগাড়ীর কাঁকনহাটে থাকেন মামুন অর রশিদ (২৪)। ঢাকায় যাওয়ার জন্য বাস ও ট্রেন—দুই মাধ্যমেই চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। মামুন বলেন, ঢাকাগামী ট্রেনের টিকিট নেই। এদিকে বাসও চলছে না। কিন্তু ঢাকায় যাওয়া জরুরি। তাই বিকল্প কোনো উপায়ে ঢাকায় যাওয়া যায় কি না, সেই চেষ্টা করছেন।

রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য সেলিম হোসেন বলেন, এর আগে যখন তেলের দাম বাড়ানো হয়, তখন রাজশাহী থেকে নাটোরের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭১ টাকা। কিন্তু যাত্রীদের কাছ থেকে তাঁরা ৫০ টাকার বেশি ভাড়া আদায় করতে পারেন না। এই অবস্থায় প্রতি লিটার তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে ১৫ টাকা। এখন ভাড়া বাড়ালে তাঁরা বিপদে পড়বেন, আবার না বাড়ালেও তাঁদের লোকসান গুনতে হবে।

তেলের দাম শিথিল করার পাশাপাশি ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান সেলিম হোসেন। অন্যথায় একটি গাড়িও চলবে না বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন