বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাটে অপেক্ষা করে দেখা যায়, স্থানীয় ব্যক্তিদের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চল থেকে বেশ কিছু ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাহিন্দ্র ও মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। ঢাকার দিকে যাওয়া যাত্রীরা এসব গাড়িতে করে এসে নদী পাড়ি দিতে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে নামছে। অন্যদিকে ফেরিতে নদী পাড়ি দিয়ে আসা যাত্রীরাও এ ধরনের যানবাহনে যার যার গন্তব্যে ছুটে যাচ্ছেন। এ সময় কয়েক যাত্রী অভিযোগের সুরে বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকার অজুহাতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ১৭টি ফেরি চলাচল করছে। দৌলতদিয়া ঘাট ছেড়ে যাওয়া অধিকাংশ ফেরি ফাঁকা রেখেই পার হতে দেখা যায়।

রাজবাড়ী থেকে কর্মস্থল ঢাকায় ফিরছিলেন শওকত হোসেন মোল্লা। দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাটে আলাপকালে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে তিনি ছুটিতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। অফিসের চাপ রয়েছে, যেভাবেই হোক তাঁকে কর্মস্থলে পৌঁছাতেই হবে।

নদী পারি দিয়ে আসা যাত্রীদের মাইক্রোবাসে তুলে দিচ্ছেন স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক। তাঁদের ভাষ্য, তাঁরা যাত্রী তোলার কাজ করেন। বিনিময়ে পরিবহন থেকে জনপ্রতি যাত্রী বাবদ ১০-২০ টাকা পান। তা দিয়ে সংসারের খরচ জোগান তাঁরা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিপদে পড়েছেন তাঁরা। বাধ্য হয়ে ফেরিঘাটে এসেছেন মাইক্রোবাসে যাত্রী তুলে দিতে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে তাঁরা স্বীকার করেন।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন চাকরিজীবী বজলুর রহমান খান। তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। গণপরিবহন না থাকায় বিভিন্ন ছোট যানবাহনে ভেঙে ভেঙে প্রায় তিন গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পৌঁছেছি।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক জামাল হোসেন বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঘাট দিয়ে অল্প কিছু ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাস পার হচ্ছে। তবে ফেরির সংখ্যা কমানো হয়নি। ১৭টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। কখন চাপ বাড়ে, তা তো বলা যায় না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন