বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় এরশাদ আকন্দ ও সোহরাব হোসেনের সমর্থকেরা উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফুর রহমান ও সেলবরষ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. দুলা মিয়াকে কিলঘুষি মারতে থাকেন। একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে দুলা মিয়ার মাথায় আঘাত করলে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

অপর পক্ষের রোকন ও রিপন মিলে যে ইফতার পার্টির আয়োজন করেছেন, তা আমাদের জানা ছিল না। একই স্থানে দুই পক্ষের ইফতার আয়োজন হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এরশাদ আকন্দ

স্থানীয় লোকজন সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আহত ওই দুজনকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দুলা মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এক পক্ষের ইফতারের আয়োজক রোকনুজ্জামান বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে তাঁর লোকজন আমাদের ইফতার ও মিলাদ মাহফিলে হামলা, আমন্ত্রিত লোকজনদের ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ ছাড়া ওই পক্ষের লোকজন আমাকে ও রিপন মিয়াকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন।’

আরেক পক্ষের আয়োজক এরশাদ আকন্দ বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেনকে প্রধান অতিথি করে আমাদের ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগের ইফতার পার্টি আয়োজনের বিষয়টি আমরা মঙ্গলবার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিলাম। অপর পক্ষের রোকন ও রিপন মিলে যে ইফতার পার্টির আয়োজন করেছেন, তা আমাদের জানা ছিল না। একই স্থানে দুই পক্ষের ইফতার আয়োজন হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।’

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘ইউনিয়ন যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও মিলাদ মাহফিলে আমাকে প্রধান অতিথি করা হয়েছিল। আমাকে জড়িয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন যে অভিযোগ করছেন, তাতে আমার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুই পক্ষের লোকজনদের মধ্যে হইহুল্লোড় হয়েছে। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। তবে এক পক্ষের দুজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা দুই পক্ষের লোকজনকে দুই দিকে সরিয়ে দিয়েছি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন