বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষকদের অভিযোগ, ফসল রক্ষা বাঁধের সংস্কারের কাজটি যথাসময়ে শুরু করা হয়নি। শুরুতেই কাজটি ভালোভাবে করা হলে গ্রামবাসীকে সারা দিন রোজা রেখে রাতে বাঁধ ঠেকাতে এত কষ্ট করতে হতো না। প্রতিবছরই বাঁধের কাছে পানি চলে এলে কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। এর আগে তারা কোনো পদক্ষেপ নেয় না।

জয়ধনা হাওরের ৬ নম্বর প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি হাফিজ উদ্দিন বলেন, বাঁধের কাজটি সঠিকভাবে করা হয়েছে। সময়মতো বরাদ্দকৃত কিস্তির টাকা পাওয়া যায়নি। ধারদেনা করে বাঁধের কাজ শেষ করেছেন তাঁরা। সোমবার রাত বাঁধে ফাটল ও ধস মেরামতে যে কাজ হয়েছে, তাতে তাঁদের নিয়োজিত শ্রমিকদেরও অংশগ্রহণ ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন বলেন, বাঁধের কাজে তদারকিতে কোনো ঘাটতি ছিল না। নীতিমালা মেনেই বাঁধের কাজ করা হয়েছে। বাঁধটির এক পাশে কাউনাই নদী ও অপর পাশে গর্ত থাকায় একাংশে ফাটল ও ধসে গিয়েছিল। মেরামত করা হয়েছে। আর কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করেন তিনি।

ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান বলেন, রাতের আঁধারে গ্রামবাসী হাওরের ফসল রক্ষায় বাঁধ মেরামত কাজে এগিয়ে এসে বাঁধটি মেরামত করেছেন। হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন