বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘুলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুর রহমান বলেন, ‘আমি বৃহস্পতিবার স্কুলে আসিনি। শনিবার এলেও খামগুলো খেয়াল করিনি। আজ রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে খামের ভেতরে ব্যালট মারা পেপারগুলো নজরে আসে। ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে মুঠোফোনে ইউএনও স্যারকে জানাই।’

পঞ্চম ধাপে গত বুধবার ধর্মপাশার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণসহ ১০টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। ওই ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চশমা প্রতীকের মোকাররম হোসেন ৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের সেলিম রাজা চৌধুরী। তিনি নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছিলেন ২ হাজার ২০৮টি।

ঘুলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার ছিল ৯৮২ জন। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ভোটারের সংখ্যা ৮২৭। চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতীকে ৪৮৬, নৌকা ২৬৪ ও ঘোড়া প্রতীকে ৫৯টি ভোট পড়ে। এই কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন উপজেলার বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক তপন কান্তি তালুকদার। তিনি বলেন, ‘সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যালটের প্যাকেট করেছি। ভুলে ওই তিন প্যাকেট সেখানে থেকে যেতে পারে।’

সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আল মাহমুদ হাছান বলেন, ‘ইউএনও স্যারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার রেখে চলে এলে বিধি অনুযায়ী যাবতীয় দায় সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে নিতে হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন