বিজ্ঞাপন

বাদী মামলার এজাহার ও জিডিতে উল্লেখ করেছেন, তিনি বিধবা। তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। ৮ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে স্থানীয় মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে মো. রাফি (২৫) বাসায় মেহমান এসেছে বলে তাঁর ঘরে ঘুমাতে চান। ঘরে তিনি আর তাঁর (বাদী) ও মেয়ে ছিলেন। বাকি কক্ষ ফাঁকা ছিল। তাই একটি কক্ষে রাফির ঘুমানোর ব্যবস্থা করেন। গভীর রাতে রাফি বাদীর কক্ষে এসে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ডাক-চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তিনি ৯ অক্টোবর দৌলতখান থানায় মামলা করেন। পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

বাদী আরও বলেন, মামলার পরে এএসপিসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পায়। গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে আসামিপক্ষের লোকজন ও আত্মীয়স্বজন মামলা তুলে নেওয়ারে জন্য চাপ দিতে থাকেন। রাফি ২২ অক্টোবর আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। ২৩ অক্টোবর বিকেল পাঁচটার দিকে রাফি দু–তিনজন সন্ত্রাসী নিয়ে তাঁর বাড়িতে ঢুকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেন।

বাদী আরও জানান, আসামি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ঘটনাটি তিনি তাৎক্ষণিক তাঁর আইনজীবীকে জানালে তিনি থানায় জিডি করার করতে বলেন। পরে এ বিষয়ে তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন