বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, ১ নভেম্বর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ওই তরুণী এলাকার তছলিম উদ্দীনের (৪৫) বাড়িতে যান। এ সময় তছলিম ওই তরুণীকে কৌশলে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ওই তরুণী বাড়িতে ফিরে ইশারা-ইঙ্গিতে তাঁর মাকে ঘটনাটি বুঝিয়ে বলেন। ঘটনা জেনে তরুণীর মা পরিবারের অন্য সদস্যদের ঘটনাটি জানান। পরে তাঁরা এ বিষয়ে মামলা করার জন্য বিষয়টি ইউপি সদস্য আবু সায়েদকে জানান। কিন্তু সায়েদ তাঁদের মামলা করতে না দিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যান। পরে তাঁরা বুঝতে পারেন, কালক্ষেপণ করিয়ে আলামত নষ্ট করা হচ্ছে। তখন তাঁরা পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে সহায়তা চান। তখন সেখান থেকে আটোয়ারী থানায় বিষয়টি তদন্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে নির্দেশ পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় তারা তছলিম উদ্দীনকে আটক করে। পরে ওই তরুণীর বাবা দুজনকে আসামি করে মামলা করেছেন।

এদিকে মামলার করার পর থেকে রাধানগর ইউপির সদস্য আবু সায়েদ এলাকায় নেই। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি, আমার নামেও মামলা হয়েছে। তবে এ ঘটনার কোনো কিছুরই সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত নই। ঘটনা শোনার পর আমি নিজেই তাঁদের থানায় মামলা করতে বলেছিলাম। অথচ ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন তখন নিজে থেকেই মামলা করতে চায়নি।’

এ বিষয়ে আটোয়ারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. দুলাল উদ্দীন বলেন, বাক্‌প্রতিবন্ধী তরুণীকে ইতিমধ্যে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ওই তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে এবং তাঁর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন