default-image

বরগুনায় অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে সাজানো ধর্ষণ মামলায় নিজেই আসামি হয়ে কারাগারে গেলেন ছগির (৩৮) নামের এক আইনজীবীর সহকারী। গতকাল শুক্রবার সকালে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বরগুনা সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার এক নারী (৪০) গত বৃহস্পতিবার জাহিদ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে বরগুনা সদর থানায় মামলা করেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) কেয়া, ওই নারীসহ পুলিশের একটি দল জাহিদের কর্মস্থলে যান। ধর্ষণ মামলার বাদী ওই নারী যাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছেন, তাঁকে চিনতে পারেননি। এ ঘটনায় পুলিশের সন্দেহ হলে ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই নারী পুলিশকে বলেন, মামলা সূত্রে ছগির নামের একজনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ছগির তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে ২০ হাজার টাকার চুক্তিতে ওই নারীকে বলেন, জাহিদের নামে ধর্ষণের মামলার দিতে।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে জাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে তাঁদের (ওই নারী ও ছগির) কোনো পারিবারিক শত্রুতা নেই। তবে আমার শ্যালিকার সঙ্গে সম্প্রতি তাঁর প্রবাসী স্বামীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। তখন থেকে নানাভাবে পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করা হচ্ছে। সম্ভবত এ কারণেই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।’ তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশি তদন্তে ধর্ষণের অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ওই নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছগিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কেউ জড়িত আছেন কি না, তা তদন্তে বের হবে বলেও জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন