বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাম ভজন কৈরী ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু ধলই ভ্যালির সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ পাইনকা বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে কাজ চলাকালে বেআইনিভাবে গত ২৭ জুলাই ধলই চা-বাগান বন্ধ ঘোষণা করেছিল ধলই চা-বাগান কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে ১৭ আগস্ট মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাংসদ এম এ শহীদের উদ্যোগে বৈঠক হয়। বৈঠকের নির্দেশনামতে ১৯ আগস্ট থেকে চা-বাগান খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

সে সিদ্ধান্ত অমান্য করে বাগানের ‘বিতর্কিত’ ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম রাতেই বাগানে প্রবেশ করেছিলেন। পরদিন ধলই চা-বাগান কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক খালেদ মঞ্জুর খানের বাগানে প্রবেশ করা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সেখানে দুজন নারী চা-শ্রমিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সহকারী মহাব্যবস্থাপককে লাঞ্ছিত করে তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙেছিলেন। এ নিয়ে ২২ আগস্ট খালেদ মঞ্জুর খান একজন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে কমলগঞ্জ থানায় হামলা, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করেছিলেন। এসব কারণে ৩৩ দিন ধরে বাগান বন্ধ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ধলই চা-বাগানের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে নোটিশ দিয়ে শনিবার থেকে ধলই চা-বাগান খোলা হয়। শনিবার সকালে ধলই চা-বাগানের অফিস খুলে মাস্টারিংয়ের কাজ করতে চাইলে চা-শ্রমিকেরা কাজ করতে দেননি। শ্রমিকেরাও কাজে যোগ দেননি। তবে তিনি জেনেছেন, ব্যবস্থাপককে অপসারণ ও মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এ সম্পর্কে কথা বলার চেষ্টা করেও শনিবার শ্রম অধিদপ্তরের শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ের উপপরিচালক নাহিদুল ইসলামের মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন