বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৭ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার উপজেলার ইকরচালী, বুড়িরহাট ও তারাগঞ্জের ধানের আড়ত ঘুরে চাষি ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, প্রতি মণ চিকন জাতের ধান ৭৮০ টাকা ও মোটা জাতের ধান ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চিকলী গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভাইজান, করোনাত দ্যাশের যে অবস্থা, ধানের দাম না হইলে হামার ভালোয় সমস্যা হইল হয়। ধানোত এবার ভালোই পোষাওছে। দুর্দিনে ধান বিক্রি করি হামার ভালোয় চলোছে।’

ইকরচালী ধানের বাজারে কথা হয় মেনানগর গ্রামের কৃষক খবির মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘মুই এবার ১ একর জমিত ৩০ হাজার টাকা খরচ করি ধান নাগছনু। শুকি হাকে ধান হইছে ৯৮ মণ। সেই ধান বস্তাত ঢুকি থুছনু। আজ ৭৫০ টাকা মণ দরে বাজারোত সেই ধান বেচে খরচ বাদে ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা লাভ করনু। ধান বেচা লাভের টাকায় মুই এবার কোরবানির ঈদ করিম।’

অটোরাইস মিলগুলো একযোগে ধান কেনা শুরু করায় বাজারে ধানের চাহিদা বেড়েছে বলে জানান তারাগঞ্জ বাজারের ধান ব্যবসায়ী আবদুল হাই। তিনি বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ১৫ দিনের ব্যবধানে মণে ১০০ টাকা ধানের দাম বেড়েছে। এতে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঊর্মি তাবাসসুম বলেন, ধানের ভালো দামে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। তাঁরা ধানচাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন