প্রত্যক্ষদর্শীরা আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১২-১৩ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। সকাল নয়টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ধামরাই স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িচালককে উদ্ধার করেন। পরে সাভার হাইওয়ে থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাস ও মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

এদিকে খবর পেয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় অনেকেই অভিযোগ করেছেন, সড়কের উন্নয়নকাজের অংশ হিসেবে জয়পুরা বাসস্ট্যান্ড সড়কের বেশ কিছু অংশ কেটে রাখা হয়েছে। এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

তবে সড়কের এই অংশে সাবকন্ট্রাক্টে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিতু এন্টারপ্রাইজের কর্মকর্তা সিফাত আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, সড়ক পার হতে যাওয়া এক ব্যক্তিকে সাইড দিতে গিয়ে অন্য একটি ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখানে তাঁদের কোনো দায় নেই। তিনি আরও বলেন, সড়কের কিছু অংশ কেটে রাখা হয়েছে, অভিযোগটি ঠিক না। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই সেখানে কাজ শুরু করা হবে, তাই কাজের জন্যই বালু ফেলে মূল সড়ক প্রায় সমান্তরাল করে রাখা হয়েছে।

সাভার হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. তৌফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সড়কের কিছু অংশ কেটে রাখায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারালে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। পরে বাসটি উল্টে সড়ক বিভাজনের উপর পড়ে।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়। বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িচালকের আঘাত গুরুতর। আহত ব্যক্তিদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ধামরাই ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন