বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিনি ঘরের দরজা খুললে ধারালো অস্ত্রের মুখে সোহরাব ও তাঁর স্ত্রীকে জিম্মি করে ডাকাতেরা আলমারির চাবি নিয়ে নেয়। পাশের অপর কক্ষে গিয়ে ডাকাতেরা তার সন্তানকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা দুজনকে বেঁধে ফেলে। পরে ডাকাতেরা সোহরাবের ঘরে এসে আলমারি থেকে স্বর্ণালংকারসহ অর্থ ও দুটি দামি ঘড়ি লুটে নেয়।

এ ছাড়া মুঠোফোন ও বাড়িটির সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্কও খুলে নিয়ে যায় তারা। ভোর সাড়ে চারটার দিকে ডাকাতেরা চলে যাওয়ার পর সোহরাব প্রতিবেশীর মুঠোফোন দিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

সোহরাব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাকাতেরা ছয়জন ছিল। তাদের মোটিভ দেখে মনে হচ্ছিল, শুধু ডাকাতির জন্য তারা এসেছে, এমনটি নয়। তবে আমি বয়স্ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশ কি এ জন্য স্বাধীন করেছি, এমন বিষয়গুলো বলার পর তাদের আচরণ অনেকটা নমনীয় হতে দেখা যায়। তাদের হাতে চাপাতি, লোহার রড ও ধারালো চাকু ছিল। আমাদের জিম্মি করে তারা ৪–৫ ভরি স্বর্ণ ও ২–৩ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।’

সোহরাব হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা এখনো বুঝতে পারছি না তারা কীভাবে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করল। গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন এসেছেন, তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।’ ঘটনার পর সকালে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান তিনি।

ধামরাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ওয়াহিদ পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনা জানার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কীভাবে ডাকাত দল ঘরে প্রবেশ করেছে, সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন