বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একপর্যায়ে মাইক্রোবাসের চালক মো. রাতুল জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ কল দিয়ে পুলিশকে জানান। পরে কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্র থেকে মুঠোফোনে রাতুলকে জানানো হয়, ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল গিয়েছিল। সকালে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হবে।

মাইক্রোবাসচালক রাতুল প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটি গাড়ির পরই আমার গাড়িটি ছিল। রাস্তার পাশ থেকে দুটি গাছ কেটে তারা রাস্তায় ফেলে রেখেছিল। ডাকাতির সময় আমি প্রথমে বাধা দিতে গেলে আমার পায়ে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করা হয়।’ তিনি বলেন, ‘ডাকাতেরা আমার ১৮ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। এভাবে অন্তত ১০টি গাড়িতে ডাকাতি করেছে তারা।’

ভুক্তভোগী যাত্রী মো. আয়নাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘চালক গাড়ির দরজা খুলতে দেরি করায় গাড়ির সামনের কাচে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে ডাকাতেরা। আমি চালককে দরজা খুলে দিতে বলি। এরপর ডাকাতেরা আমার কাছ থেকে ১০ হাজার ৭০০ টাকা নিয়ে গেছে। চালকের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে গেছে তারা।’

কাওয়ালিপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. রাসেল মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, ধামরাই থানার শেষ সীমানার সড়কে ডাকাতি হচ্ছে, জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। তবে তার আগেই সেখান থেকে ডাকাতেরা সরে যায়।’ তিনি দাবি করেন, শুধু একটি গাড়ি ডাকাতদের কবলে পড়েছে। ওই গাড়ির যাত্রী ও চালকের কাছ থেকে মুঠোফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার তথ্য পেয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন