বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মার্চ অনলাইনে মাইক্রোড ট্রেড, ৪৩ মহাখালী আকুয়া টাওয়ারের (লেভেল ৩ ও ৮) আওতাধীন ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড পরিচালিত ধামাকা শপিং ডটকমের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন ভার্চ্যুয়াল সিগনেচার কার্ডের মাধ্যমে পণ্য কেনার অফার দেয়। অনলাইনে অফারটি দেখে ব্যবসায়ী শামিম খান প্রতিষ্ঠানের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করেন। তাঁকে জানানো হয়, পণ্য অর্ডার করলে ৪৫ দিনের মধ্যে সরবরাহ করা হবে। সে অনুয়ায়ী বাদী ৮৪টি ইনভয়েসের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ইনভয়েসে ১১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। প্রতিষ্ঠানটি তাঁর অর্ডার কনফার্ম করে এবং কনফার্ম ইনভয়েস জিমেইল আইডিতে পাঠায়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠান থেকে নির্ধারিত ৪৫ দিনেও পণ্য সরবরাহ করা হয়নি। ৫০ দিন পর বাদী হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলে তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। এক মাস অপেক্ষা করার পর তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালক অপারেশন স্বাক্ষরিত সাউথইস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ লাখ ৫৫ হাজার টাকার দুটি চেক দেওয়া হয়। ওই চেক নিয়ে টাকা তুলতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায় অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই।

পরে আসামি সিরাজুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি টাকা না দিয়ে তাঁকে হুমকি দেন। ৫ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ধামাকা শপিংয়ের অফিসে গিয়ে দেখেন তালা বন্ধ। এ থেকে তিনি বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এর কিছুদিন আগে পত্রিকা ও টেলিভিশনে খবরে জানতে পারেন, বিপুলসংখ্যক ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের সামনে তাঁদের পাওনার জন্য অবস্থান নিয়েছেন। তিনি টাকা পরিশোধের ইনভয়েস, ব্যাংকের চেকের ফটোকপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে আত্মীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলা করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্তকাজ চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন