বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার লবণচরা থানার মোহাম্মদ নগর এলাকার একটি ইজিবাইকের গ্যারেজ থেকে শামীম মোড়লের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শামীম ওই গ্যারেজে ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করতেন। নিহত শামীম খুলনা নগরের দারোগার ভিটা শান্তিনগর এলাকার মো. মুজিবুর রহমান মোড়লের ছেলে। ওই দিন দুপুরেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে লবণচরা থানায় মামলা করেন।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরাফাতকে পুলিশ আটক করে। পরে ওই মামলায় আরাফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে আজ আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. শাহ্জাহান শেখ জানান, আরাফাতের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আগে আরাফাত ওই গ্যারেজে ব্যবস্থাপকের কাজ করতেন। কিন্তু দুই মাস আগে আরাফাতকে বাদ দিয়ে শামীমকে ব্যবস্থাপকের চাকরি দেওয়া হয়। এতে আগে থেকেই আরাফাত শামীমের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন।

এদিকে গত বুধবার সন্ধ্যায় আরাফাত শামীমকে ২০০ টাকা দিয়ে গাঁজা কিনে আনতে বলেন। শামীম বাইরে গিয়ে ওই টাকা খরচ করে ফেলে। রাতে আরাফাত শামীমের কাছে গাঁজা চাইলে শামীম টাকা খরচ করে ফেলার কথা বললে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে শামীমের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আরাফাত। পরে গ্যারেজের ক্যাশবাক্স ভেঙে টাকা নিয়ে পালিয়ে যান আরাফাত। পুরো ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলতে আরাফাত ওই গ্যারেজের সিসিটিভিও সঙ্গে নিয়ে যান।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) সোনালী সেন প্রথম আলোকে বলেন, এটি একটি ‘ক্লু লেস’ মামলা ছিল। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাঁর বাড়ি থেকে গ্যারেজের লুট করা ২১ হাজার ৩০০ টাকা ও পাশের একটি খাল থেকে সিসি ক্যামেরার বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন