বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি বুড়িরভিটা গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে আরিফুল। তাঁর পেশা ছিল জুয়া খেলা ও মাদক ব্যবসা। প্রতিবেশী আবদুল মালেক ছিলেন তাঁর অংশীদার। জুয়া খেলা ও মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে কয়েক মাস আগে আরিফুল ও মালেকের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় মালেকের পক্ষের আওয়ামী লীগের নেতা নবাব আলীকে শবে বরাতের রাতে অপহরণের চেষ্টা করেন আরিফুল ও তাঁর সহযোগীরা। এ ঘটনার পর থেকে আরিফুলের সঙ্গে নবাব আলী ও মালেকের বিরোধ চরম পর্যায়ে পৌঁছায়।

গত শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আরিফুল ও তাঁর সহযোগীরা মালেককে কুপিয়ে জখম করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নবাব আলী, মালেকসহ তাঁদের সহযোগীরা রাত ৯টার দিকে মীমাংসার কথা বলে আরিফুলকে কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে এনে বেড়েরবাড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের উত্তর-পশ্চিম পাশের রাস্তা নিয়ে আসেন। এখানে আনার পর তাঁরা আরিফুলকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এরপর তাঁরা তাঁর লাশ টেনেহিঁচড়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে শাহজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের টাইপাড়া এলাকার একটি পুরোনো কবরের ভেতর মাটিচাপা দিয়ে রাখেন। গত রোববার দুপুরের পর সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর থেকে নবাব আলী ও মালেক পলাতক। তাঁদের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃপা সিন্ধু বালা প্রথম আলোকে বলেন, নিহত আরিফুল ইসলামের স্ত্রী শেফালী খাতুন বাদী হয়ে নবাব আলীসহ ২০ জনের নামে মামলা করেছেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন