বিজ্ঞাপন

নলডাঙ্গা গ্রামের বাঁশ শিল্পের ১০ থেকে ১২ জন কারিগর বলেন, সারা বছর বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী তৈরি করলেও ঈদের আগে তাঁরা খাঁচি তৈরির কাজ বেশি করেন। লাচ্ছা সেমাই কারখানার মালিকেরা ঈদের আগে খাঁচির চাহিদা জানিয়ে দেন। তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী খাঁচি তৈরি করে দেওয়া হয়। এই খাঁচি বিক্রির জন্য হাটবাজারে যেতে হয় না। কারখানার মালিকেরা গ্রামে এসে খাঁচি কিনে নিয়ে যান। কিন্তু করোনাকালে লাচ্ছা সেমাই তৈরির বেশির ভাগ কারখানা ও পরিবহন বন্ধ থাকায় মালিকেরা খাঁচির চাহিদা দিতে আসেননি। খাঁচির চাহিদা না থাকায় তাঁদের এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

দাড়াকাটা গ্রামের খাঁচি তৈরির কারিগর শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে ঈদ ঘিরে প্রচুর পরিমাণে খাঁচি তৈরি হয়। কিন্তু এবার খাঁচি তৈরির অগ্রিম কোনো আদেশ ছিল না। একজন কারিগর প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি করে খাঁচি তৈরি করতে পারেন। একেকটি খাঁচি বানাতে খরচ হয় ২০-২৫ টাকা। পাইকারি দরে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। তবে এ বছর করোনার প্রভাবে খাঁচির চাহিদা কম থাকায় কারিগরদের ক্ষতি হয়ে গেল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন