বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিখোঁজের পাঁচ দিন পর গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের কুড়িগাতি এলাকার ধানখেত থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর রেশমা খাতুনের ভাই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গত মঙ্গলবার গোবিন্দপুর গ্রামের জুয়েল শেখ (৩৪) ও বুধবার নুরুল ইসলাম (৭০) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এর মধ্যে জুয়েল শেখের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রেশমা খাতুনের স্বামী ফরিদকে গতকাল দুপুরে গ্রেপ্তার পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার জুয়েল শেখ বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জুয়েল বলেন, রেশমার বেপরোয়া চলাফেরায় তাঁর স্বামী ফরিদুল ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল, জুয়েলসহ কয়েকজনের সহযোগিতায় রেশমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর রেশমার লাশ বস্তায় ভরে জুয়েলের ব্যাটারিচালিত ভ্যানে ধানখেতে ফেলে দেওয়া হয়।

ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, নারী ইউপি সদস্য রেশমা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর স্বামীসহ এখন পর্যন্ত তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে জুয়েল শেখ হত্যার ঘটনায় সহযোগী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এদিকে নুরল ইসলাম ও রেশমার স্বামী ফরিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলমান। তাঁকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পুরোপুরি তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন