বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ জি এম বাদশাহ্‌র অভিযোগ, ফরিদুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন। মেহেদী ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহুরুল ইসলামের ছেলে। অন্যদিকে জাহাঙ্গীর আলম ধুনট উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি। মজনু আলম সরকার নৌকার প্রার্থী টি আই এম নুরুন্নবীর ভাতিজা। তাঁরা চারজনই নৌকার প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভোটারদের কাছে সশরীরে নৌকায় ভোট চাচ্ছেন।

বগুড়া জেলা প্রশাসক এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া অভিযোগে এ জি এম বাদশাহ্‌ উল্লেখ করেছেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পদে প্রশিক্ষণ নেওয়া চার কর্মকর্তা নৌকার পক্ষে কাজ করায় তাঁদের দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাঁদের নির্বাচনী দায়িত্ব দিলে ভোট জালিয়াতি হবে, অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হবে না। নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি ওই চারজনকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার আবেদন জানান।

জানতে চাইলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পদে মনোনীত ফরিদুল ইসলাম ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে থাকার কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি ভোট চাওয়ার অভিযোগ মনগড়া দাবি করে বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। এখানে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার সুযোগ নেই। নৌকায় ভোট চেয়েছেন প্রমাণ দিতে পারলে নিজেই ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইবেন।

জি এম সি ডিগ্রি কলেজের দর্শন বিভাগের শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমও ধুনট উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি পদে থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষকতা করার কারণে সংগঠনে সক্রিয় নন। আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থন থাকলেও পৌর নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশ নেননি।

জি এম সি ডিগ্রি কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মজনু আলম সরকার বলেন, তাঁর পরিবার আওয়ামী লীগের সমর্থক হলেও দলীয় পদে কেউ নেই। তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ভাতিজা নন, প্রতিবেশী। প্রচারণাতেও অংশ নেননি।

একই কলেজের আরেক প্রভাষক মেহেদী হাসান বলেন, পরিবার আওয়ামী লীগের সমর্থক হলেও তিনি কোনো পদে নেই। প্রচারেও অংশ নেননি। তাঁর বাবা পদে থাকার কারণে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগ তুলেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন