বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষে চেয়ারম্যানপ্রার্থী আতাউর রহমান এবং তাঁর সমর্থক আসাদুজ্জামান, মনির হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। তাঁরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় মেহেদী হাসান বাদী হয়ে চেয়ারম্যানপ্রার্থী জি এম সম্রাটসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এই সংঘর্ষে চেয়ারম্যানপ্রার্থী জি এম সম্রাট এবং তাঁর সমর্থক ফজর আলী ও বেলাল হোসেন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ফজর আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ফজর আলীর ছেলে নাজমুল হোসেন বাদী হয়ে চেয়ারম্যানপ্রার্থী আতাউর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

বিএনপির দুই নেতা আতাউর রহমান ও জি এম সম্রাট চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় ওই দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

আতাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে এলাঙ্গী বাজারে আসাদুজ্জামানের ওষুধের দোকানে বসে নির্বাচনী আলোচনা চলছিল। এ সময় জি এম সম্রাট ও তাঁর সমর্থকেরা হামলা চালিয়ে আসাদুজ্জামানের ওষুধের দোকান ও দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছেন। তাঁদের হামলায় আমার তিন কর্মীর সঙ্গে আমিও আহত হয়েছি।’

প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জি এম সম্রাট বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে এলাঙ্গী বাজারে প্রচারকালে আসাদুজ্জামানের দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আতাউর রহমানসহ তাঁর লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আমার দুই কর্মীকে আহত করেছেন। বাধা দিতে গেলে তাঁরা আমাকেও মারধর করেন।’

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা জানান, দুই চেয়ারম্যানপ্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। উভয় পক্ষের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন