বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নর শিমুলবাড়ী গ্রামের আবদুল আলিম (২৮), শহড়াবাড়ী গ্রামের মিজানুর রহমান (২৩) ও রবিউল ইসলাম (৩৫), কৈয়াগাড়ী গ্রমের শহিদুল ইসলাম (৪৮) ও শহিদুল ইসলাম (৩২), বৈশাখী গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৭০) ও মাসুদ রানা (৪৮), বরইতলী গ্রামের ওসমান গণি (৩৫), ভুয়াপুর গ্রামের ফজলু মণ্ডল (২৪), আল আমিন (২৮), শফিকুল ইসলাম (১৯), ইমান আলী (৩৫), সুলতান আলী (৩০), ও রমজান আলী (৩২)। এ সময় বালু উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত চারটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোসাইবাড়ী গ্রামের রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের যন্ত্রচালিত ড্রেজার মেশিন ও বাল্কহেড দিয়ে যমুনা নদীর চর কেটে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিলেন। এতে নদীর ডান তীরসংরক্ষণ প্রকল্প এলাকা, স্পার, বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ, স্থানীয় লোকজনের বাড়িঘর ও আবাদি জমি যমুনা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে। খবর পেয়ে ধুনট উপজেলা প্রশাসন গতকাল মধ্যরাত থেকে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন।

ইউএনও সঞ্জয় কুমার মহন্ত প্রথম আলোকে বলেন, দলবদ্ধ দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে যমুনা নদীর চর কেটে বালু উত্তোলন করছিল। খবর পেয়ে রাতেই অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় ১৪ জনকে আটক করে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চারটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়েছে। বাল্কহেডের মালিকদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাল্কহেডের মালিক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি মূলত সারিয়াকান্দি এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করি। মাত্র পাঁচ দিন ধরে ধুনটের যমুনার চর কেটে বালু তুলছি।’

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বিকেল চারটায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন