বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার ১২টার দিকে ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে অভিযান চালিয়ে ধুনট পৌর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুরাদুজ্জামান গত বছরের অক্টোবরে ধুনট পৌরসভার একটি এলাকায় বাসা ভাড়া নেন। সেখানে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ওই বাসার মালিকের মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ছাত্রীর মা-বাবা পেশাগত কারণে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বাইরে থাকেন। ওই শিক্ষকের স্ত্রীও কর্মসূত্রে বাইরে যান। এ সময় মুরাদুজ্জামান একদিন কৌশলে ওই স্কুলছাত্রীকে জড়িয়ে ধরে মুঠোফোনে ছবি তোলেন। এরপর ওই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত ৩ মার্চ ওই ছাত্রীকে নিজের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এর পর থেকে অশালীন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে কয়েক দফায় ধর্ষণ করেন মুরাদুজ্জামান।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ওই ছাত্রীকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন ওই ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয় স্বজনেরা উপস্থিত হলে মুরাদুজ্জামান বাসা ছেড়ে পালিয়ে যান। ঘটনা জানাজানি হলে মুরাদুজ্জামানকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই ছাত্রীর কিছু অশালীন ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন মুরাদুজ্জামান। পরে ওই ছাত্রীর বাবা বৃহস্পতিবার বিকেলে মুরাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মুরাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে।

থানাহাজতে আটক মুরাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছি। এ ছাড়া আমার আর কিছু বলার নেই।’

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ও অশ্লীল ছবি ধারণ করার কথা স্বীকার করেছেন মুরাদুজ্জামান। ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামি মুরাদুজ্জামানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন