default-image

বগুড়ার ধুনট পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ১৫ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনে ৩৭টি মামলা ছিল। তার মধ্যে ১১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং ২৬টি মামলা থেকে তাঁদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দেওয়া কাউন্সিলর প্রার্থীদের হলফনামা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এখানে তৃতীয় দফায় ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন হবে।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধুনট পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে ৩৩ কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন। এর মধ্যে মুনজিল হোসেনের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা বিচারাধীন এবং সোলাইমান আলীর বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ২ নম্বর ওয়ার্ডে ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ওসমান গনির বিরুদ্ধে করা তিনটি মামলা বিচারাধীন। রফিকুল ইসলামের নামে করা তিনটি মামলায় দুটি বিচারাধীন ও একটি থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

৫ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রাজিবুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা আটটি মামলার মধ্যে একটি বিচারাধীন এবং সাতটি থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সেলিম রেজার নামে করা চারটি মামলার মধ্যে দুটিতে খালাস ও দুটি বিচারাধীন। শাহাজাহান আলীর নামে করা একটি মামলায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

৬ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুর রাজ্জাক সেখের বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ফরাইজুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা সাতটি মামলার মধ্যে দুটি বিচারাধীন ও পাঁচটি থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সামুছ উদ্দীন মল্লিকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন প্রার্থীর মধ্যে আপাল সেখের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

৮ নম্বর ওয়ার্ডে তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আল আমিনের নামে করা দুটি মামলায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ফরহাদ হোসেনের নামে করা একটি মামলা বিচারাধীন। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমের নামে করা দুটি মামলায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

ধুনট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোকাদ্দেছ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন