বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি শহীদ মিনারের পাশের সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় জুতা-স্যান্ডেল পরে বেদিতে কয়েকজনকে আড্ডা দিতে দেখেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম। এরপর তিনি শহীদ মিনারের সিঁড়িতে লিখে দেন, ‘জুতা পরে ওঠা নিষেধ’। কিছুদিন পর কেউ আর সে নির্দেশনা না মানলে শহীদ মিনারের চারপাশে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে দড়ি বেঁধে ঘিরে দেওয়া হয়।

ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, বছরের এক দিন শহীদ মিনারে ফুল দিলেই ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়ে গেল; বিষয়টি এমন নয়। সারা বছরই শহীদদের সম্মান ও মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। শহীদদের সম্মান ও মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় লোকজনকেও সচেতন করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান আকবর হোসেন বলেন, এই শহীদ মিনার তো শুধু একটি দিবসকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়নি। সারা বছর অবহেলায় রেখে শুধু এক দিনের জন্য ধোয়ামোছা করলে শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষা হয় না।

সাংস্কৃতিক কর্মী অমল কুমার বলেন, সারা বছরই শহীদ মিনারের অযত্ন চোখে পড়ে। মূল বেদি ও মিনারের আশপাশে আবর্জনা পড়ে থাকে।

শহীদ মিনারের পরিচ্ছন্নতার কাজ বাস্তবায়ন করা ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র মির্জা ফয়সল আমীনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল ধরেননি। কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসেন বলেন, সারা বছর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করার মতো লোকবল পৌরসভার নেই। তাই বছরজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ধোয়ামোছার কাজ করা সম্ভব

হয় না। ২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে এসব কাজ বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন