পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে গিয়ে শত শত বিনোদনপ্রেমী মানুষকে পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। টিকিট কাউন্টারের সামনে ছিল দর্শনার্থীদের দীর্ঘ লাইন। সেখানে কথা হয় পত্নীতলার নজিপুর থেকে আসা কলেজশিক্ষার্থী সিয়াম শাহরিয়ারের সঙ্গে। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে আসা ওই তরুণ বলেন, ‘ঈদের আনন্দকে আরও বেশি করে উপভোগ্য করে তুলতে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছি। তবে টিকিট কাউন্টারে সামনে যে ভিড়, দেখা যাক টিকিট পেতে কতক্ষণ লাগে।’

দিনাজপুর থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার দেখতে এসেছিলেন সাইফুল ও আলমগীর। তাঁরা বলেন, অনেক দিন ধরেই ভাবছিলেন এখানে বেড়াতে আসবেন। কিন্তু এত দিন সময়-সুযোগের অভাবে আসতে পারেননি। এবার ঈদের ছুটিতে দুই বন্ধু মিলে দিনাজপুর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে পাহাড়পুর এসেছেন। হাজার বছর আগের বিশাল প্রাচীন এই পুরাকীর্তি দেখে তাঁরা মুগ্ধ।

মান্দার ঐতিহাসিক কুশুম্বা মসজিদ দেখতে বুধবার রাজশাহীর বাঘা থেকে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে এসেছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘আমি এর আগে বেশ কয়েকবার এখানে এসেছি। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা কেউ দেখেননি। এত দিন আমার মেয়েরা ইন্টারনেট এবং বইয়ে প্রাচীন স্থাপনা কুশুম্বা মসজিদ সম্পর্কে পড়েছে। এখানে এসে তাঁরা স্থাপনাটির নির্মাণশৈলী ও বিভিন্ন কারুকাজ দেখে মুগ্ধ হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন