এ নিয়ে জেলায় করোনায় সংক্রমিত হয়ে এ পর্যন্ত ৮২ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে ৪৪ জনেরই মৃত্যু হয়েছে জুন মাসে, যা মোট মৃত্যুর ৫৩ শতাংশের বেশি। জুনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন সদর উপজেলায় ১৪ জন। এরপরই রয়েছে নিয়ামতপুর উপজেলা, সেখানে মারা গেছেন ৯ জন। এ ছাড়া পত্নীতলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচজন, মহাদেবপুরে চারজন, রানীনগরে তিনজন, আত্রাইয়ে দুজন, ধামইরহাটে দুজন, মান্দায় দুজন, বদলগাছিতে একজন, পোরশা ও সাপাহারে একজন করে মারা গেছেন। গত বছরের ১৩ মে নওগাঁ সদর উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সবশেষ ৫ জনকে নিয়ে জেলায় করোনায় সংক্রমিত হয়ে এ পর্যন্ত ৮২ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে ৪৪ জনেরই মৃত্যু হয়েছে জুন মাসে, যা মোট মৃত্যুর ৫৩ শতাংশের বেশি।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ২৫৪টি। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৬০০ জনের। গত শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এর মধ্যে মে ও জুন শেষ দুই মাসে ২ হাজার ২৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ মোট আক্রান্তের ৪৮ দশমিক ৭৪ শতাংশই শনাক্ত হয়েছে গত দুই মাসে। এ সময়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮ হাজার ৪৩৯টি। দুই মাসে গড় শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

নওগাঁর করোনা প্রতিরোধ কমিটির ফোকাল পারসন ও ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর-এ মোর্শেদ বলেন, গত বছরের মার্চ থেকে শুরু হওয়া করোনার প্রথম ঢেউয়ের তুলনায় চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। করোনার প্রথম ঢেউয়ে এক বছরে যত করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু হয়েছে, তার সমানসংখ্যক শনাক্ত ও মৃত্যু হয়েছে গত দুই মাসে। সংক্রমণের হারও এই দুই মাসে অনেক বেশি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন