default-image

নওগাঁয় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০২। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সদর উপজেলায় ৪৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিভিল সার্জন আকন্দ মো. আখতারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সিভিল সার্জন আরও জানান, নওগাঁয় কোভিড রোগীদের মধ্যে সুস্থতার হার বাড়ছে। আজ জেলায় নতুন করে আরও ১৭ জন কোভিড রোগীকে সুস্থ ঘোষণা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ নিয়ে জেলায় মোট ১ হাজার ৮৩ জন আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হলেন। শনাক্তের হিসাবে নওগাঁয় করোনায় আক্রান্ত রোগীর সুস্থতার হার এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশের ওপরে।

বিজ্ঞাপন

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২ ও ৩ সেপ্টেম্বর নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৭৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আজ সকালে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি অ্যান্ড মেডিসিন রিসার্চ সেন্টার ল্যাব থেকে পাঠানো ওই ৭৬টি নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে ১৮ জনের কোভিড পজিটিভ পাওয়া যায়। নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সদর উপজেলায় সাতজন, রানীনগরে দুজন, মহাদেবপুরে তিনজন, আত্রাইয়ে দুজন, পত্নীতলায় তিনজন ও নিয়ামতপুর উপজেলায় একজন রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

গত ২৩ এপ্রিল নওগাঁ জেলায় প্রথম একজনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। তিনি রানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন নার্স। এ পর্যন্ত জেলা থেকে ৯ হাজার ২০৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ হাজার ২০২ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৩ জন। শনাক্তের হিসাবে সুস্থতার হার ৯০ দশমিক ৯ শতাংশ। এখন পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সিভিল সার্জন আকন্দ মো. আখতারুজ্জামান বলেন, সচেতনতার অভাবে কিংবা উদাসীনতার কারণে এখন অনেক মানুষই করোনার পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। যাঁদের একটু জটিল উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, কেবল তাঁরাই নমুনা দিতে বুথে আসছেন। এ জন্য আগের তুলনায় গত ১৫-১৬ দিন ধরে নমুনা সংগ্রহের পরিমাণ অনেকটাই কমে গেছে। ফলে করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে কম। তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় এখনো আমরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। করোনা প্রতিরোধ করতে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।’

মন্তব্য পড়ুন 0