বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও পরিবহনশ্রমিক সূত্রে জানা যায়, দুপুরে নওগাঁ পুলিশ লাইনস-সংলগ্ন মশরপুর এলাকায় নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে নওগাঁ ট্রাভেলস পরিবহন নামের একটি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের এক যাত্রী আহত হন। এ ঘটনায় ওই মোটরসাইকেলের যাত্রী নওগাঁ সদর থানায় অভিযোগ করলে নওগাঁ থানা-পুলিশের একটি দল ওই বাসের চালক সুলেমানকে ধরতে বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে যায়। এ সময় শ্রমিকেরা পুলিশকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ওই বাসচালককে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় শ্রমিকেরা বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন প্রধান সড়কে অবস্থান নেন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা। এতে দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন শ্রমিক নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্য ব্যক্তিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওই দুর্ঘটনার ঘটনায় বাসচালকের কোনো দোষ ছিল না। মোটরসাইকেলের চালক দ্রুতগতির বাসটি ওভারটেক করতে গিয়ে আহত হয়েছেন। তারপর পুলিশ ওই বাসচালককে আটক করে নিয়ে যায়। শ্রমিকেরা বাধা দিতে গেলে পুলিশ অন্যায়ভাবে তাঁদের মারধর করে এবং গুলি ছোড়ে। আমাদের ১০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। একজন শ্রমিক তাঁর চোখে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছেন। চোখটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। দায়ী পুলিশদের সাজা না হওয়া পর্যন্ত জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।’

নওগাঁ সদর থানার পরিদর্শক রাজিবুল ইসলাম বলেন, ‘বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একজন আসামিকে আটক করে নেওয়ার পথে শ্রমিকেরা তাঁকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন। এতে আমি ও একজন কনস্টেবল আহত হয়েছি। এখন টার্মিনাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন