বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে ১২ জানুয়ারি ওই আয়োজনের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শহরের নওজোয়ান মাঠ, এ–টিম মাঠ, মুক্তির মোড় শহীদ মিনার—এই তিনটি স্থানের মধ্যে যেকোনো একটি স্থান ব্যবহারের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে এ আবেদন জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। অনুমতি না মিললে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

হাফিজুর জানান, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ২৮ ডিসেম্বর যুবলীগ ও ছাত্রলীগ বিএনপির সমাবেশস্থলে সমাবেশ আহ্বান করে। তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্লজ্জ ও ফ্যাসিবাদী আচরণের শামিল ও নিন্দনীয় দৃষ্টান্ত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজমুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দীন, এ জেড এম রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন