বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কারাগারে পাঠানো বিএনপির অপর দুই নেতা হলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ও নওগাঁ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মেয়র নজমুল হকসহ বিএনপির ওই তিন নেতা এর আগে হাইকোর্ট থেকে তিন মাসের জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আজ তাঁরা নওগাঁর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ জেড এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার অন্য আসামিরা জামিনে আছেন। আশা করা হচ্ছিল আদালত আজকে এই তিন আসামিকেও জামিন দেবেন। কিন্তু আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে যে মামলা করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই আদেশের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আবেদন করব। আশা করছি, সেখানে ন্যায়বিচার পাব।’

তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, এই তিন আসামির জামিনের কোনো সুযোগ ছিল না। বিএনপির এই তিন নেতা পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের মতো মামলার অন্যতম প্রধান আসামি। আদালত তাঁদের জামিন না দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি সম্পত্তিসহ জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করে। দুই মামলায় ৫৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

৩০ মার্চ নওগাঁ শহরের কেডির মোড়ে বিএনপির নেতা–কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হেফাজতকর্মী নিহতের ঘটনায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই দিন দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য ও বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন