বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সাজু সাইদ সিদ্দিকীর সমর্থকেরাও চন্দ্রকোনা বাজারে আসেন। এ সময় উভয় পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী কামরুজ্জামানের বড় ভাই চন্দ্রকোনা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় চন্দ্রকোনা বাজারসংলগ্ন এলাকায় নৌকা প্রতীকের একটি নির্বাচনী প্রচারকেন্দ্র ভাঙচুর করা হয়।

সংবাদ পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. হান্নান মিয়া ও নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য চন্দ্রকোনা বাজারে গিয়ে ১০ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাজু সাইদ সিদ্দিকী অভিযোগ করে বলেন, ‘বিদ্রোহী’ কামরুজ্জামানের সমর্থকেরা তাঁর গ্রামের বাড়ি দড়িপাড়া এলাকায় অস্ত্র নিয়ে প্রচারের কাজ চালাতে যান এবং পরে তাঁর একটি নির্বাচনী প্রচারকেন্দ্র ভাঙচুর করেন।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মঙ্গলবার রাতে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর কোনো কর্মী বা সমর্থকের কাছে অস্ত্র ছিল না। তাঁর কোনো লোক নৌকার প্রচারকেন্দ্র ভাঙচুর করেননি। এসব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

ওসি মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। চন্দ্রকোনা বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন