default-image

শেরপুরের নকলায় পুত্রবধূকে (২২) ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুরকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নকলা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরীফুল ইসলাম খানের আদালতের নির্দেশে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

৬ মার্চ উপজেলার কুড়েরপাড় গ্রামে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই পুত্রবধূ আজ সকালে শ্বশুরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নকলা থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার মাস আগে আসামির ছেলের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে হয়। তাঁর স্বামী (আসামির ছেলে) ঢাকায় কাঁচামালের ব্যবসা করেন। ব্যবসার প্রয়োজনে স্বামী ঢাকায় অবস্থান করলেও ওই তরুণী তাঁর শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। ৬ মার্চ দুপুরে শাশুড়ি পার্শ্ববর্তী গ্রামে এক স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে শ্বশুর ওই তরুণীকে ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে যান এবং দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ধর্ষণের ওই ঘটনা কাউকে না বলার জন্য পুত্রবধূকে শাসিয়ে দেন তিনি। পরে আজ সকালে ধর্ষণের শিকার পুত্রবধূ বাদী হয়ে শ্বশুরকে আসামি করে নকলা থানায় মামলা করেন।

৬ মার্চ দুপুরে শাশুড়ি পার্শ্ববর্তী গ্রামে এক স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে শ্বশুর ওই তরুণীকে ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে যান এবং দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুশফিকুর রহমান আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের নির্দেশে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের শিকার তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

কারাগারে আটক থাকায় অভিযুক্তের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন